চার বছরের কঠোর পরিশ্রম কাজে লাগলো, বিশ্বকাপ জয়ের পর বললেন বেন স্টোকস

Updated: 15 July 2019 10:54 IST

World Cup Final: রবিবার বিশ্বকাপ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের নাটকীয় জয়কে চার বছরের কঠোর পরিশ্রমের ফল হিসাবেই দেখছেন নায়ক বেন স্টোকস

Four Years
World Cup Final: নিউজিল্যান্ডে বিরুদ্ধে দুর্ধর্ষ জয় এনে দিলেন বেন স্টোকস © AFP

চার বছরের কঠোর পরিশ্রমের ফল,রবিবার বিশ্বকাপের ফাইনালে (World Cup Final) নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের নাটকীয় জয়কে এভাবেই দেখছেন ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার বেন স্টোকস (Ben Stokes)। ৪ বছর আগে বিশ্বকাপে অত্যন্ত অপমানজনকভাবে ছিটকে যাওয়ার পর এবারের বিশ্বকাপে (World Cup) দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বিশ্বের এক নম্বর হয়েছে আয়োজক দেশ ইংল্যান্ড। লর্ডসে স্টোকসের দুরন্ত ৮৪ রানের দৌলতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচটি প্রথমে টাই হয়, কেননা ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড দুটি টিমই নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৪১ রান করে। ফলে ম্যাচ সুপার ওভারে গড়ালে ফের কেরামতি দেখান স্টোকস। তিন বলে আট রান করে স্টোকস ইংল্যান্ডকে ১৫ রান করতে সাহায্য করেন, যা সুপার ওভারে নিউজিল্যান্ডের করা রানের সমান। কিন্তু যেহেতু ফাইনাল ম্যাচটিতে নিউজিল্যান্ডের তুলনায় বেশি বাউন্ডারি হাঁকায় ইংল্যান্ড তাই সেই হিসাবে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ (England win World Cup) ওঠে তাঁদেরই হাতে।

World Cup 2019, NZ Vs ENG: সুপার ওভারে জিতে প্রথম বিশ্বকাপ ইংল্যান্ডের

“অনুভূতি জানানোর মতো শব্দ হারিয়ে গেছে”, খেলা শেষের পর বলেন ক্লান্ত স্টোকস। “গত ৪ বছরে ধরে আমরা যা যা পরিশ্রম করেছি তার ফল এটা এবং আমরা এখন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। এটা এক আশ্চর্য অনুভূতি”, বলেন তিনি।

প্রথমে ব্যাট করে তোলা নিউজিল্যান্ডের ৮ উইকেটে ২৪১ রানের জবাবে ওই একই রান ২৪১ করেই অল আউট হয় ইয়ন মর্গানের দল। ফলে ম্যাচ গড়ায় ৬ বলের শ্যুটআউট পর্যায়ে, যেখানে দুটি দলকেই ৬টি বল খেলে রান করতে হয়।

ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস এবং জোস বাটলার জুটি নিউজিল্যান্ডের ট্রেন্ট বোল্টের ওভারে ১৫ রান সংগ্রহ করেন। উত্তরে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ব্যাট করতে নামেন মার্টিন গাপ্তিল ও জিমি নিশাম, যাঁরা ইংল্যান্ডের বোলার জোফরা আর্চারের দ্বিতীয় বলেই ছয় হাঁকান।

লর্ডসে ধুন্ধুমার! প্রাপ্তবয়স্ক ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপন নিয়ে হানা মহিলার

ফাইনাল বলে আর যখন মাত্র ২ রান বাকি, তখনই জোস বাটলার এবং জেসন রায়ের তৎপরতায় দলের হয়ে দ্বিতীয় রানটি নেওয়ার সময় রান আউট হয়ে যান গাপ্তিল।

এর ফলে দেখা যায় ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড দুই দলই সুপার ওভারে ১৫ রান করেছে। এখানেই বাজিমাৎ করে বেরিয়ে যায় ইংল্যান্ড। টাই-ব্রেকের নিয়ম অনুযায়ী অপেক্ষাকৃত বেশি বাউন্ডারি মারায় জয়ী ঘোষণা করা হয় ইংল্যান্ডকে।

এর আগে ১৯৯২-এ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে, ১৯৮৭-তে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এবং ১৯৭৯-তে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ফাইনালে হারার পর জোরদার সমালোচিত হতে হয় ইংল্যান্ডকে।

Comments
হাইলাইট
  • ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপ এনে দিলেন বেন স্টোকস
  • এই জয়কে গত ৪ বছরের কঠিন পরিশ্রমের ফল হিসাবেই বর্ণনা করেন স্টোকস
  • নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে নাটকীয় জয় ছিনিয়ে নেয় ইংল্যান্ড
সম্পর্কিত খবর
বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই ওভারথ্রো নিয়ে পর্যালোচনা হবে আগামী সেপ্টেম্বরে
বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই ওভারথ্রো নিয়ে পর্যালোচনা হবে আগামী সেপ্টেম্বরে
‘নাইটহুড’ পেতে পারেন বিশ্বকাপ ফাইনালের নায়ক বেন স্টোকস
‘নাইটহুড’ পেতে পারেন বিশ্বকাপ ফাইনালের নায়ক বেন স্টোকস
বিশ্বকাপ ফাইনালের নায়ক বেন স্টোকসকে মাটিতে পা রেখে চলার পরামর্শ স্ট্রসের
বিশ্বকাপ ফাইনালের নায়ক বেন স্টোকসকে মাটিতে পা রেখে চলার পরামর্শ স্ট্রসের
ফাইনালের বিতর্কিত ‘ওভারথ্রো’ নিয়ে এবার মুখ খুলল আইসিসি
ফাইনালের বিতর্কিত ‘ওভারথ্রো’ নিয়ে এবার মুখ খুলল আইসিসি
বিশ্বকাপ ফাইনালে আইসিসির নিয়ম নিয়ে মজার ট্রোলিং অমিতাভ বচ্চনের
বিশ্বকাপ ফাইনালে আইসিসির নিয়ম নিয়ে মজার ট্রোলিং অমিতাভ বচ্চনের
Advertisement